জলছবি প্রকাশন

সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান

Home » সব প্রচারেই প্রসার, না আত্নঘাতি!

সব প্রচারেই প্রসার, না আত্নঘাতি!

প্রচারেই প্রসার অতীব গুরুত্বপুর্ণ বাক্য। দুই শব্দেই জ্বলন্ত প্রমাণ। এটা ব্যবস্যা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে।  কিন্তু আপামর সমাজে এমন কিছু কাহিনী ঘটে যা প্রচারেই প্রসার সেই প্রসার কিন্তু সমাজকে আরও কলুষিত থেকে আরও অন্ধকারে পতিত করবে নিঃসন্দেহ বলা যায়।

আমরা সামাজিক বসবাসেই অভ্যস্ত পরিবারে অনেক ঘটনা ঘটে যা দেখে অন্যরাও ঘটানোর প্রবল সম্ভাবনা থাকে। সেগুলি প্রচার না করাই উত্তম বলে মনে করি।

যেমন বর্তমানে ডিজিটাল যুগ ডিজিটালাইস ঘটে ডিজিটালাইস প্রচার হই আবার দ্রতবেগে নতুন নতুন হাজারো ঘটে , ঐ যে কথায় আছে না, দেখা দেখি বাস, তেমনি দেখা দেখি করা ও দেখা দেখি শিখা ও করার আগ্রহ গতিশীল্ভাবে বাড়ে।

সমাজে ঘটে এই গুলি মনুষত্যবোধকে নিপতিত করে অন্ধকারে। আমরা বা আপনারা যে যা দেখে সে তাহাতে বেশি আকৃষ্ট হই। এই ডিজিটাল যুগে দেখার ইচ্ছে না থাকলেও কিছু বিজ্ঞাপন, কিছু অনাকাংক্ষিত ছবি চোখ মাঝে অটো চলে আসে, হঠাত আকৃষ্ট বোধ করে, মনে মজে সেখানে। এই দেখাই আমি আপনি অন্য কারো ঘটছে। কিন্তু নষ্ট হচ্ছি নির্দিধায় বলা যায়।

সবাই বলবে নিজেকে কন্ট্রোল কর কিন্তু কন্ট্রোল সময়টা পেরিয়ে যায় বেশ কিছু সময় কিছু অনেক জীবনে মৃত্যু ডেকেও। কন্ট্রলিং পাওয়ারটা সবার সমান থাকে না। সবাই নিজের মাইন্ড সেটআপ নেয়া খুব কঠিন ব্যাপার।

যেমন পরকিয়া। এটাই নিউজ ও এই ধরণের মুভি ও নাটক আমাদের দেশে ও বহিরবিশ্বে অহরহ ঘটছে ও প্রচার হচ্ছে। যা দেখে কিশোরকিশোরী ও অনেক অভিভাবকও এখানে আকৃষ্ট হয়ে তারা বিপথাগামী হচ্ছে। এই প্রচার ও ঘটানোর উপর ভিডিওচিত্র খুব বিপদজনক আমাদের সকলের জন্যই।

অনেক ঔষধ আছে যা প্রচার এতোই কুচ্ছিত ও বিজ্ঞাপনে হয় যাহা আমার নিকট কাম্য নই। অনেক ভিডিও বার্তা প্রচার হই লজ্জা নই জানতে হবে, এই জানতে ও শিখতে গিয়ে ভুল পথে পতিত অনেক কিশোরকিশোরিরা। এই ভুল পথ অনেক দূর নিয়ে যাচ্ছে, সেখান থেকে ফেরত আসা খুব দুরহ। অনেকের উপলদ্ধি হই ধ্বংসের পর তাও অনেক ফিরতে পারে আবার অনেকে অন্ধকার থেকে অন্ধকারে যায় চলে।

ছোট একটি কথা আমাদের দেশে অনেক বাবা-মা সন্তানের কুপথ থেকে দূরে রাখার জন্য থানায় দেয় সেটা আরও বিপথজনক। থানায় টাকার বিনিময়ে পাওয়া যায় না এমন জিনিস খুব কম। স্বচক্ষে দেখা ও জানা থানায় জিডি করে নাড়ীছেড়া ধন জমা দেয় কিন্তু থানায় তারা খুব সহজে জেকারণে জমা হয়েছে তাহা অতি সহজে আরও ভোগ করার সহজ পথ পেয়ে যায়। যা অতি দুঃখজনক ও মর্মাহত কাহিনী, দেশ ও জাতি কলুষিত ও নষ্ট হওয়ার পথ রোধ করা অতীব জরুরী।

সমাজের ঘটে যাওয়া সবগুলোই প্রচারে যে , মানব কল্যাণ বয়ে আনে তা কিন্তু নয়। যাহা প্রচারে মানব জাতির ক্ষতি সাধন হওয়ার অভীষ্ট লক্ষ্যে পোছে যেতে পারে সেই প্রচার আইনের মাধ্যমেই বন্ধ করা উচিত। যেমন, পারিবারিক অনেক নিন্দনীয় ঘটনা, সেটা ঘরে বাহিরে, ভাইয়ে ভাইয়ে, চাচা-ভাতিজা, সমাজের একেওপরের সাথে ঘটে যা দেখে/শুনে অন্যারা ঘটানোর অনুরুপ করার ইচ্ছা পোষন জাগতে পারে। কারণ যতই বলি ততই রটে। খারাপে আগ্রহ বাড়ে বৈ কমে না।
আমি ভাই, পিতা আমার দায়িত্ব আমাকে সঠিকভাবে পালনে ব্যর্থ হলে ঘটে যাওয়া খারাপ কিছুর জন্য আমাকেই দোষারোপ/খারাপের দায়ভার নিজ কাঁধে নিতেই হবে। সন্তান বা বউয়ের কারো ঘাড়ে উপর চাপায়ে দোশারোপ করা যেতে পারে কিন্তু সমাধান অসম্ভব।

আমার একজন শিক্ষক ক্লাসে বলেছিলেন, “বাবা যদি রাত ১২ টায় বাসায় ফেরে সন্তান রাত ১টায় ফিরবে তাতে সন্দেহ নায়”।  অতীব সত্য কথা বলেই আমার বিশ্বাস।

আমি মোবাইল টিপ্প কিন্তু সন্তানকে নিষেধ করব এটা সম্ভব নই। পরিবারে নিজে পড়ি, নিজে ধর্মপালন করি, নিজে অন্যায় থেকে বিরত থাকি, নিজে মানুষকে সাহায্য করি স্বস্ব সন্তান ঠিক সেভাবেই গড়ে উঠবে, ইনশা আল্লাহ।

Name of author

Name: মোঃ মজিবর রহমান

Short Bio: এই ধরার বৃত্তে চলমান একজন মানুষ। এই মানুষ হয়েই থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাই।

২ Replies to “সব প্রচারেই প্রসার, না আত্নঘাতি!”

মন্তব্য করুন